আ.লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী : ছাত্রলীগ নেতৃত্বের ভাবনা

বুধবার ২২ জুন ২০২২ ১৩:১৬


মেহেরাবুল ইসলাম সৌদিপ ::
বাংলাদেশের একটি ঐতিহ্যবাহী এবং বর্তমান ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। এই রাজনৈতিক দলটির গোড়াপত্তন হয় ২৩ জুন ১৯৪৯ খ্রিষ্টাব্দে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে। পরবর্তী কালে এর নাম ছিল নিখিল পাকিস্তান আওয়ামী লীগ।

১৯৭০ সাল থেকে এর নির্বাচনী প্রতীক নৌকা। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে ১৯৫৫ সালে অসাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক আদর্শের অধিকতর প্রতিফলন ঘটানোর জন্য এর নাম "আওয়ামী লীগ" করা হয়।

পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী রোজ গার্ডেনে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে এই রাজনৈতিক দলটি প্রতিষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দলটির ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সুপার ইউনিট খ্যাত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ নেতৃত্বের ভাবনা ও প্রত্যাশা তুলে ধরেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক মেহেরাবুল ইসলাম সৌদিপ।


সংগ্রামে সঙ্কটে অর্জনে গণমানুষের আওয়ামী লীগ :

১৯৪৭ সালে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠায় সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করে, পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে সর্বাত্মক সমর্থন দিয়ে বাঙালি যে রাষ্ট্র পেলো তা প্রত্যাশিত পাকিস্তান ছিলো না। কুশাসন-কোটারি, জুলুম-অত্যাচার, আঞ্চলিক বৈষম্য, জাতি নিপীড়ন প্রথমেই জনগণের জীবন অতিষ্ঠ করে তুললো।

এ  যেন এক শকুনের হাত থেকে অন্য শকুনের হাতে পড়ার মতো। পাকিস্তানের এই স্বাধীনতাকে শেখ মুজিবুর রহমান 'ফাঁকির স্বাধীনতা' বলে আখ্যা দিয়েছিলেন। ১৯৪৭ সালে দুটি আলাদা ভূখণ্ড, ভিন্ন ভাষা, ভিন্ন সংস্কৃতি, ভিন্ন খাদ্যাভ্যাস ও ভিন্ন মানবিক বোধবুদ্ধি নিয়ে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার মাত্র ৪ মাস ২০ দিনের মাথায়  বয়সে তরুণ শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি গঠন করেন সরকারবিরোধী ছাত্র সংগঠন 'পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগ'

৫২-এর ভাষা আন্দোলন, ’১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, আইয়ুব খানের সামরিক শাসনবিরোধী আন্দোলন, ৬৪-এর দাঙ্গার পর সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা, ’৬৬-এর ছয় দফা আন্দোলন ও ’১৯৬৯-এর গণ–অভ্যুত্থানে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে এ দেশের মানুষকে সংগঠিত করে আওয়ামী লীগ গণমানুষের সংগঠনে পরিনত হয়।

বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করার পর সততা, দক্ষতা এবং সুযোগ্য নেতৃত্বে চার দফায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করে আজ বাংলাদেশ অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। বিশ্বের কাছে বাংলাদেশকে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে দাঁড় করিয়েছেন। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।

ইব্রাহিম হোসাইন সানিম
সহ-সভাপতি
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ


শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ

'বঙ্গবন্ধু-আওয়ামী লীগ-বাংলাদেশ’ ইতিহাসে এই তিনটি নাম অমলিন, অবিনশ্বর। ইতিহাসে এই তিনটি নাম একই সূত্রে গাঁথা। তেমনি ইতিহাস, ঐতিহ্য, সাফল্য ও অর্জনের নাম বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। গণমানুষের প্রিয় দল আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী।

আওয়ামী লীগ মানেই বাঙালী জাতীয়তাবাদের মূল ধারা। আওয়ামী লীগ মানেই সংগ্রামী মানুষের প্রতিচ্ছবি। বাংলাদেশের কাদা-মাটি গায়ে মাখা খেটে খাওয়া মানুষের কাফেলা। অতীতের মতো বাংলাদেশের ভবিষ্যতও আওয়ামী লীগের সঙ্গে অবিচ্ছেদ্যভাবে যুক্ত।

বাঙালী জাতির মুক্তির মূলমন্ত্রে দীক্ষিত হয়ে গণতান্ত্রিকভাবে জন্ম নেয়া উপমহাদেশের প্রাচীনতম ও ঐতিহ্যবাহী বৃহৎ রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। দেখতে দেখতে আওয়ামী লীগ ৭৪ বছরে পদার্পণ করল। শুধু এটি বললে কম হবে, বাঙালী জাতির মুক্তির মূলমন্ত্রে দীক্ষিত হয়ে গণতান্ত্রিকভাবে জন্ম নেয়া উপমহাদেশের প্রাচীনতম ও ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দলও হচ্ছে আওয়ামী লীগ! আর এইটি দক্ষতার সহিত এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে শেখের বেটি দেশরত্ন শেখ হাসিনা।

মো. পরাগ হোসাইন
সহ-সভাপতি 
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ


উন্নয়নের ধারক-বাহক আওয়ামী লীগ

বাংলাদেশের উন্নয়ন ইতিহাস বিশ্লেষণ করলে যে দুটি নাম সমুজ্জ্বল হয়ে ধরা দেবে সে দুটি নাম সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা।

অত্যাচারিত নির্যাতিত একটি জাতিকে শোষকের ভয়াল থাবা থেকে মুক্ত করে, সে জাতিকে স্বাধীন করার এবং যুদ্ধ বিধ্বস্ত একটি দেশকে সুদক্ষ নেতৃত্বের মাধ্যমে বিশ্বের বুকে মাথা উচু করে দাঁড়াবার যে সাহস তার পুরোটাই এসেছিলো বঙ্গবন্ধুর বলিষ্ঠ নেতৃত্বে।

এরই ধারাবাহিকতায় উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অবদান রেখে চলেছে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ। আর সেই উন্নয়ন ধারায় যুক্ত হয়েছে আরো একটি নাম 'স্বপ্নের পদ্মা সেতু'। যার পুরোটাই আজ দৃশ্যমান বাস্তব।

জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পদ্মা সেতুর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপনের পর থেকেই স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তিরা নানামুখী ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে তা বানচাল করার চেষ্টা করে গেছে। আন্তজার্তিক ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে বিশ্ব ব্যাংকের ঋণ কর্মসূচি স্থগিত করেছে। তবে থেমে যাননি জনগণের আশার একমাত্র বাতিঘর শেখ হাসিনা, জনগণকে এক মুহুর্তের জন্যও নিরাশ হতে দেয়নি।

নিজস্ব অর্থায়নে স্বপ্নের পদ্মাসেতু বাস্তবায়নের যে চ্যালেঞ্জ, তা সফল করে সারা বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন তিনি। দেশের ২১ টি জেলার মানুষের যোগাযোগ দুর্ভোগ লাঘব করবে স্বপ্নের পদ্মা সেতু। অর্থনৈতিক খাতে অন্যরকম মাত্রা আসবে পদ্মা সেতুর মাধ্যমে। দেশ এগিয়ে যাবে বিদ্যুৎ গতিতে।


স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তিরা আজ দেখে নিক, ৭৫ এর ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র করেও তারা বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্নকে বিনষ্ট করে দিতে পারেনি। বরং সেই স্বপ্নকে লালন করে তা বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে মাদার অফ হিউম্যানিটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু। জয়তু দেশরত্ন শেখ হাসিনা।

মিঠুন বাড়ৈ
সহ-সভাপতি
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়


আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে অনন্য উচ্চতায় বাংলাদেশ

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ শুধু দেশের পুরনো ও সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দলই নয়, এটি হচ্ছে গণতন্ত্র ও অসাম্প্রদায়িক ভাবাদর্শের মূলধারাও। প্রতিষ্ঠা থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত নানা আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ আমাদের সমাজ-রাজনীতির এ ধারাকে নিরবচ্ছিন্নভাবে এগিয়ে নিচ্ছে।

দেশের অন্যতম প্রাচীন সংগঠন হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, ভাষা, স্বাধিকার, গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা অর্জনে মহোত্তম গৌরবে অভিষিক্ত আওয়ামী লীগের কয়েক দশকের অভিযাত্রায় শান্তি, সমৃদ্ধি ও দিন বদলের লক্ষ্যে অবিচল বাঙালি জাতির মুক্তির দিশারী।

তিহাসবিদ, লেখক ও লোক সাহিত্যিক শামসুজ্জামান খান এই দলকে মূল্যায়ন করে লিখেছেন, আওয়ামী লীগ ‘পাকিস্তান’ নামের অবৈজ্ঞানিক এবং ভৌগোলিক ও নৃতাত্ত্বিকভাবে এক উদ্ভট রাষ্ট্রের পূর্ব বাংলার বাঙালি জনগোষ্ঠী ও অন্যান্য ক্ষুদ্র জাতিসত্তাকে অবজ্ঞায়, অবহেলায় ও ঔপনিবেশিক কায়দায় শোষণ-পীড়ন-দমন ও দাবিয়ে রাখার বিরুদ্ধে লাগাতার প্রতিবাদ, প্রতিরোধ এবং গণসংগ্রামের মধ্য দিয়ে গড়ে ওঠা বিপুল জনপ্রিয় একটি রাজনৈতিক দল।

বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ২০১৪ সালের ৫ জানুযারি এবং ২০১৮ এর ৩০ ডিসেম্বর সাধারণ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে বাংলাদেশের ইতিহাসে টানা তিন মেয়াদে সরকার পরিচালনা করছে এ দলটি। দেশের মানুষের জন্য, দেশের গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করেছে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ।

আজ আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের অধীনে পদ্মা সেতু বাস্তবায়ন হচ্ছে। পদ্মা সেতু শেখ হাসিনার সাহসিকতা ও সততার প্রতীক।

মুন্নি আক্তার
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক 
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়


বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ে তুলছে আওয়ামী লীগ

পদ্মা সেতু মানে শুধু একটি বড় বা ব্যয়বহুল সেতু নয় এটা দক্ষিনবঙ্গের মানুষের কাছে আবেগ আর শতসহস্র স্বপ্ন পূরণের নাম। এই বঙ্গের মানুষ জানে খরস্রোতা পদ্মা পাড়ি দিতে গিয়ে স্বজন হারানোর ভয়াবহতা। আগামী ২৫ জুন দক্ষিণবঙ্গের মানুষের কষ্ট লাগবেন দিন।

এই পদ্মা সেতুকে নিয়ে বিএনপি-জামাতের প্রেতাত্মারা ষড়যন্ত্রের ডালপালা মেলার আগেই এই ষড়যন্ত্রের নাড়ি-নক্ষত্র বুঝতে অসুবিধা হয়নি মানবতার মা জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার।

বাঙালির কপালে ‘দুর্নীতির’ কলঙ্ক চিহ্ন এঁকে দেয়ার নীলনকশা কোনোভাবেই আঁকতে দেয়নি জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা কারন তার কাছে তার কাছে বাংলাদেশের অসম্মান মানে বঙ্গবন্ধুর অসম্মান।

সততা আর দেশপ্রেম দিয়ে সকল ষড়যন্ত্রের জবাব দিয়ে আজ স্বপ্নের পদ্মা সেতু শুধু গল্পের ফুলঝুরি নয়  বাস্তবায়িত।

মহান জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে দেশরত্ন শেখ হাসিনা বলেছিলেন- যেখানে বিশ্ব ব্যাংক একটি টাকাও ঋণ ছাড় দেয়নি- সেখানে দুর্নীতি হয় কীভাবে? পদ্মা সেতু নিয়ে পানি কম ঘোলা হয়নি, দুর্মুখেরা চেয়েছিল শেখ হাসিনার শাসনামলে যাতে এ বিশাল সেতু নির্মিত না হয়। তাদের মনোবেদনা ছিল সত্যি সত্যি যদি শেখ হাসিনার সরকার এ সেতু নির্মাণ করতে সমর্থ হয় তাহলে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের ২১টি জেলার প্রায় ৪ কোটি মানুষের জীবনযাত্রাই পালটে যাবে।

দেশের অর্থনীতিতে এ সেতু রাখবে বিরাট ভূমিকা- একই কারণে শেখ হাসিনার জনপ্রিয়তা এবং তার সরকারের ভাবমূর্তি বৃদ্ধি পাবে বহুগুণ। আর তাই শুরু থেকেই দেশি-বিদেশি নানা ষড়যন্ত্রে মত্ত ছিল এতিমের টাকা আত্মসাৎকারী সেই বিএনপির কুলাঙ্গারেরা।

সকল ষড়যন্ত্রের জাল কেটে নিজস্ব অর্থায়নে স্বপ্নের পদ্মা সেতু বাস্তবায়িত করেছেন বঙ্গবন্ধুর কন্যা, যোগ্য পিতার যোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা।

ফৌজিয়া জাফরিন প্রিয়ন্তী
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়


আওয়ামী লীগ সরকারের হাত ধরে 'ডিজিটাল বাংলাদেশ'

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের একটি ঐতিহ্যবাহী এবং বর্তমান ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেখেছিলেন সমৃদ্ধ বাংলাদেশের স্বপ্ন, চেয়েছিলেন মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তি, গড়তে চেয়েছিলেন ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত সমাজ।

বর্তমান সরকার সেই স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। উন্নতির এই ধারা অব্যাহত রাখা সম্ভব হলে ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ  উন্নত দেশে পরিণত হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার যােগ্য নেতৃত্ব, যথাযথ ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, মানবসম্পদ উন্নয়ন, অবকাঠামাে ও প্রযুক্তির উন্নয়ন, বৈদেশিক বাণিজ্যের বিস্তৃতি, বৈদেশিক কর্মসংস্থান, শক্তিশালী বাজার পরিকল্পনা প্রভৃতির কারণে বাংলাদেশ যেভাবে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, তা নজিরবিহীন।

দেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রা এবং অবকাঠামােগত উন্নয়নের মধ্য দিয়ে দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা ও জীবনমান বৃদ্ধি আওয়ামী লীগ সরকারের সফলতা জানান দিচ্ছে।গত এক দশকে বাংলাদেশের এই অবকাঠামােগত উন্নয়ন চোখে পড়ার মতাে। বড়াে বড়াে প্রকল্প বাস্তবায়নে বাংলাদেশের সক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে।

অল্প দিনের মধ্যেই চালু হবে বাংলাদেশের জনমানুষের বহুকাঙ্ক্ষিত পদ্মাসেতু। নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মাসেতু নির্মাণের সফলতা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে একটি মাইলফলক।

এছাড়া রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, পায়রা গভীর সমুদ্রবন্দর, ঢাকা মেট্রোরেলসহ দেশে ছােট-বড় অনেক প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে, আধুনিক বিশ্বের সাথে খাপখাইয়ে উঠতে আওয়ামী লীগ সরকার 'ডিজিটাল বাংলাদেশ' গড়ে তুলেছে। দেশকে আরো এগিয়ে নিতে এই সংগঠন এবং সরকারের কোন বিকল্প নেই।

জিনিয়া আফ্রিন
সাংগঠনিক সম্পাদক,
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ

এমএসি/আরএইচ